📅 তারিখ: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
📍 স্থান: বাংলাবাজার ফাতেমা খানম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভোলা সদর, ভোলা
🏢 বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান: সাজেদা ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল
🤝 সহযোগিতায়: প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় পরিচালিত প্রকল্প
✨ কর্মসূচির প্রেক্ষাপট
ইউনিসেফের সহায়তায় পরিচালিত একটি প্রকল্পের আওতায় সাজেদা ফাউন্ডেশন ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে “কুসংস্কার ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ ২.০: বাংলাদেশের ঋতুস্রাবকালীন কিশোরীদের স্বপ্ন পূরণে ক্ষমতায়ন” শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য, এ বিষয়ে প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার ও নেতিবাচক ধারণা এবং তাদের মুখোমুখি হওয়া মানসিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
🎯 কর্মশালার উদ্দেশ্য
এই কর্মশালায় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়-
১. ঋতুস্রাবকালীন কিশোরীদের ঘিরে বিদ্যমান সামাজিক কুসংস্কার ও প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা।
২. নারী ও কিশোরীবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ নির্ধারণ করা।
৩. স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
👥 অংশগ্রহণকারী সংগঠন
ভোলা জেলার মোট ৮টি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি সংগঠন থেকে ৫ জন করে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মাঠপর্যায়ে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং কিশোরীদের জন্য ভবিষ্যতে কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে মতামত প্রদান করেন।
🤝 স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর ভূমিকা
বিভিন্ন ছোট ও মাঝারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সক্রিয়ভাবে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে বলেন, সামাজিক পরিবর্তনের দায়িত্ব শুধু কিশোরীদের একার নয়; বরং পরিবার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত দায়িত্ব রয়েছে।
মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে তাঁরা সামাজিক কুসংস্কার ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সম্মিলিত উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
🌱 স্বাধীন যুব উন্নয়ন সংস্থার বার্তা
“সচেতন ও দায়িত্বশীল সংগঠনই সমাজে টেকসই পরিবর্তন আনতে পারে।
সামাজিক কুসংস্কার ও প্রতিবন্ধকতা দূর করে কিশোরীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এই বার্তার মাধ্যমে কর্মশালায় স্বাধীন যুব উন্নয়ন সংস্থা তাদের অবস্থান ও অঙ্গীকার তুলে ধরে।
✅ কর্মসূচির গুরুত্ব
এই কর্মশালার মাধ্যমে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি এবং পারস্পরিক সমন্বয়ের একটি কার্যকর ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
অংশগ্রহণকারীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে নারীর ক্ষমতায়ন, কিশোরীবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনের পথকে আরও সুগম করবে।